সর্বশেষ :
পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে হাওর প্লাবিত: পাকনার হাওর পরিদর্শনে এমপি বিয়ানীবাজারে মানব পাচারকারী ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ১২ ঘণ্টায় পিছু হটল এসএমপি ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী কমলগঞ্জে নিম্নাঞ্চলে বন্যায় ৫০ পরিবার পানিবন্দি, দুর্ভোগ এসএসসি পরীক্ষার্থী হাম উপসর্গে সিলেটে আরও এক শিশুর মৃত্যু সিলেটে নদ-নদীর পানির উচ্চতা বাড়াচ্ছে ভারতের ঢল এআই আতঙ্কে নিজের কণ্ঠস্বর ও অবয়বের ট্রেডমার্ক চাইলেন টেইলর সুইফট ব্যাটিং ধসে শ্রীলঙ্কার কাছে হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের সুনামগঞ্জে হাওরে হাহাকার: পানির নিচে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন

মার্কিন নাগরিকত্ব হারাতে পারেন ১৬ লাখ ভারতীয়

মার্কিন নাগরিকত্ব হারাতে পারেন ১৬ লাখ ভারতীয়

একুশে সিলেট ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়ার শর্তে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্মগত অধিকার বাতিল করার কথা জানিয়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলে ১৬ লাখ ভারতীয় মার্কিন নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। খবর এনডিটিভির।

মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং নাগরিকত্বের শর্ত পূরণকারী সব ব্যক্তি দেশটির এবং যে অঙ্গরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেছেন ওই রাজ্যের নাগরিক হবেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে চলমান এই নিয়ম যদি ট্রাম্প বাদ দিয়ে দেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে চালু থাকা এই বিশেষ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে।

ট্রাম্প একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আমরা এটা বদলে ফেলতে চলেছি। প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম মেয়াদেও এ বিষয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে নিয়ম বদলের মতো কঠোর কোনো পদক্ষেপ তখন তিনি নেননি। এখন নিয়ম পরিবর্তনের কথা তুলেছেন তিনি।

এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমি পরিবারগুলো ভাঙতে চাই না। তাই একমাত্র উপায়, সবাইকে একসঙ্গে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো। অর্থাৎ, আইনি প্রক্রিয়ায় এই ধরনের নাগরিকদেরও পরিবারের সঙ্গে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

২০২২ সালে মার্কিন আদমশুমারি বিশ্লেষণ করে দেশটির অন্যতম জরিপ প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪৮ লাখ ভারতীয়-আমেরিকান বসবাস করছেন। এর মধ্যে ৩৪ শতাংশ অর্থাৎ ১৬ লাখের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে। ফলে তারা আইনত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। যদি ট্রাম্প এই আইনটি বাতিল করেন, তাহলে এই ১৬ লাখ ভারতীয়-আমেরিকান নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এককভাবে সংবিধান সংশোধন করতে পারবেন না। আর নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার সীমিত করে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ জারির চেষ্টা সংবিধানের লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

অভিবাসনপন্থি হিসেবে পরিচিত ক্যাটো ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স নাওরাস্তেহ বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, আমি তার (ডোনাল্ড ট্রাম্প) এমন অবস্থানকে খুব একটা গুরুত্ব দিই না। তিনি প্রায় এক দশক ধরে এ কথা বলে আসছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রচলিত নিয়মে পরিবর্তন আনার বিষয়টি এগিয়ে নিতে নিজের আগের শাসনামলে কিছুই করেননি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff